
বাংলাদেশে ফুটবলের মৌসুম মানে আর্জেন্টিনার মৌসুম। পাড়ার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যান্টিন — আলোচনা একটাই। আর্জেন্টিনার খেলা কবে, মেসি খেলবেন কিনা, আর এবারের বিশ্বকাপটা ধরে রাখতে পারবে কিনা লিওনেল স্কালোনির দল।
২০২৬ বিশ্বকাপ মাত্র কয়েক মাস দূরে। আর্জেন্টিনা গ্রুপ জে-তে আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়া ও জর্ডানের মুখোমুখি হবে। বাংলাদেশ সময়ে প্রথম ম্যাচ ১৬ জুন সকাল ৭টায়। এই নিবন্ধে আর্জেন্টিনার খেলা কবে ২০২৬ — পূর্ণ সময়সূচি থেকে শুরু করে দলের ইতিহাস, খেলোয়াড়দের নাম, সবচেয়ে বড় জয়-হার এবং মেসির ভবিষ্যৎ — সবকিছু একসাথে পাবেন।
আর্জেন্টিনার খেলা কবে ২০২৬ — বাংলাদেশ সময়সহ সম্পূর্ণ সূচি
এই মুহূর্তে বাংলাদেশের আর্জেন্টাইন সমর্থকদের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এটাই। তাই শুরুতেই সরাসরি উত্তর দিয়ে নেওয়া যাক।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ১২ জুন, শেষ ১৯ জুলাই। আয়োজক তিন দেশ — যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। আর আর্জেন্টিনার গ্রুপের নাম গ্রুপ জে।
আর্জেন্টিনার খেলা কবে ২০২৬ সময় সূচি — বাংলাদেশ সময়
| তারিখ | প্রতিপক্ষ | ভেন্যু | বাংলাদেশ সময় |
|---|---|---|---|
| ১৬ জুন ২০২৬ | আলজেরিয়া | অ্যারোহেড স্টেডিয়াম, কানসাস সিটি | সকাল ৭:০০ |
| ২২ জুন ২০২৬ | অস্ট্রিয়া | এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম, ডালাস | রাত ১১:০০ |
| ২৭ জুন ২০২৬ | জর্ডান | এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়াম, ডালাস | সকাল ৭:০০ |
তিনটির মধ্যে দুটি ম্যাচ সকালে — তাই বাংলাদেশের দর্শকদের জন্য একটু সুবিধাই হলো। তবে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে রাত ১১টার ম্যাচটির জন্য অবশ্য বাড়তি প্রস্তুতি দরকার।
আর্জেন্টিনার খেলা কবে ২০২৬ — এই সূচি চূড়ান্ত। দলটি গ্রুপ পার করলে জুলাইতে নকআউট পর্বের ম্যাচ শুরু হবে। সেই সময়সূচি নির্ভর করবে গ্রুপ পর্বের ফলের উপর।
আর্জেন্টিনার পরবর্তী প্রস্তুতি ম্যাচ কবে?
গ্রুপ পর্বের আগে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। ৬ জুন টেক্সাসে হন্ডুরাসের বিপক্ষে এবং ৯ জুন আলাবামায় সার্বিয়ার বিপক্ষে। এরপরই সরাসরি বিশ্বকাপের মঞ্চে।
আর্জেন্টিনার খেলা লাইভ — মৌরিতানিয়া ম্যাচে যা ঘটল
২৭ মার্চ ২০২৬। লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়াম। বুয়েনোস আইরেসে সেদিন ৫৭ হাজার দর্শক এসেছিলেন একটাই কারণে — মেসিকে শেষবার নিজ দেশের মাটিতে দেখতে।
মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটা ছিল আসলে একটা বিদায়ের মঞ্চ। কিন্তু মাঠে যা হলো, তা নিয়ে ম্যাচের পরেও কথা থামেনি। আর্জেন্টিনা ২-১ গোলে জিতল ঠিকই, কিন্তু পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক।
এনজো ফার্নান্দেজ ১৭ মিনিটে এবং নিকো পাজ ৩২ মিনিটে দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে দুই গোল করেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নামা মেসিও পারলেন না ব্যবধান বাড়াতে। উল্টো ৯৪ মিনিটে মৌরিতানিয়ার জর্ডান লেফোর্ট গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন।
ম্যাচ শেষে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ যা বললেন, তা সোজা কথায় চমকে দেওয়ার মতো। “খুবই বাজে খেলেছি। এটা আমাদের সবচেয়ে খারাপ ম্যাচগুলোর একটি। মনোভাবের ঘাটতি ছিল, গতি ছিল না, আত্মবিশ্বাসও ছিল না। ভাগ্য ভালো ফিনালিসিমা এভাবে খেলতে হয়নি।”
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের গোলরক্ষকের মুখে এই কথা মানে একটাই — বিশ্বকাপের আগে অনেক কাজ বাকি।
আর্জেন্টিনা লাইভ খেলা কোন চ্যানেলে দেখবেন?
আজকের আর্জেন্টিনার খেলা কোন চ্যানেলে — এই প্রশ্নটা ম্যাচের আগের রাতে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়।
সাধারণত বড় ম্যাচগুলো বাংলাদেশে দেখা যায় এই চ্যানেলগুলোতে:
- T Sports — বাংলাদেশের প্রধান স্পোর্টস চ্যানেল, বড় ম্যাচ সাধারণত এখানেই হয়
- Star Sports — ভারতীয় চ্যানেল, বিশ্বকাপে প্রায় সব ম্যাচ দেখায়
- Sony LIV — অনলাইন স্ট্রিমিং, মোবাইলেও দেখা যায়
তবে সবচেয়ে ভালো হলো ম্যাচের দিন সকালে একটু আগেই চ্যানেল নিশ্চিত করে নেওয়া। বিশ্বকাপের সম্প্রচার অধিকার প্রতিবার নতুন করে নির্ধারিত হয়।
আর্জেন্টিনার খেলা কবে live দেখার পাশাপাশি বেটিংয়ের আগ্রহ থাকলে, Jeta33-এ আর্জেন্টিনার সব বিশ্বকাপ ম্যাচের লাইভ মার্কেট পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে bKash এবং Nagad-এ সহজেই লেনদেন করা যায়।
আর্জেন্টিনা প্লেয়ারের নাম লিস্ট ২০২৬ — বিশ্বকাপ স্কোয়াড
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল খেলোয়াড় — পজিশন অনুযায়ী
চূড়ান্ত ২৬ সদস্যের দল বিশ্বকাপের আগে ঘোষণা হবে। তবে আর্জেন্টাইন গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের তথ্য অনুযায়ী যারা প্রায় নিশ্চিত:
গোলরক্ষক: এমিলিয়ানো “দিবু” মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা), হেরোনিমো রুলি, হুয়ান মুসো
রক্ষণভাগ: নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, মার্কোস সেনেসি, মার্কোস আকুনিয়া, নিকোলাস ওটামেন্দি
মধ্যমাঠ: এনজো ফার্নান্দেজ (চেলসি), অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার (লিভারপুল), নিকো পাজ, রদ্রিগো দে পল
আক্রমণভাগ: লিওনেল মেসি (ইন্টার মায়ামি) — অধিনায়ক, জুলিয়ান আলভারেজ, নিকোলাস গনজালেজ, থিয়াগো আলমাদা, লাউতারো মার্টিনেজ
মৌরিতানিয়া ম্যাচে লাউতারো ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজ চোটের কারণে ছিলেন না। জিওভান্নি লো সেলসোও বাইরে। বিশ্বকাপের আগে এই খেলোয়াড়দের ফেরা জরুরি।
আর্জেন্টিনার গোলকিপারের নাম কী?
এমিলিয়ানো “দিবু” মার্টিনেজ — এই নামটা বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা ভুলবেন না সহজে। ইংল্যান্ডের অ্যাস্টন ভিলার হয়ে খেলেন তিনি। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটে তার সেভগুলো দেখে যারা কেঁদেছিলেন, তারা ভালো করেই চেনেন এই মানুষটাকে।
আর্জেন্টিনার বর্তমান কোচ কে — এবং কেন তিনি আলাদা?
২০১৮ সাল। বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে আর্জেন্টিনা। কোচ নেই। তখন কেউ ভাবেনি যে অনভিজ্ঞ লিওনেল স্কালোনিকে দায়িত্ব দিলে এত বড় ইতিহাস তৈরি হবে।
কিন্তু হয়েছে। ঠিক হয়েছে।
স্কালোনির হাতে আর্জেন্টিনা পরপর যা জিতেছে, সেটা অবিশ্বাস্য:
- কোপা আমেরিকা ২০২১ — ২৮ বছরের খরা শেষ
- ফিনালিসিমা ২০২২ — ইতালিকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে
- ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ — ৩৬ বছর পর শিরোপা ঘরে
- কোপা আমেরিকা ২০২৪ — টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন
মার্চ ২০২৬-এর সংবাদ সম্মেলনে স্কালোনি বললেন — “বিশ্বকাপ পুনরায় জেতার কথা ভাবা কঠিন। তবে আমরা চেষ্টা করব। আর্জেন্টিনা যোগ্যতা দিয়েই আগেরবার জিতেছিল।”
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ কতবার নিয়েছে — পুরো ইতিহাস
আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত তিনবার বিশ্বকাপ জিতেছে।
| বছর | আয়োজক | ফাইনালে প্রতিপক্ষ | ফলাফল |
|---|---|---|---|
| ১৯৭৮ | আর্জেন্টিনা | নেদারল্যান্ডস | ৩-১ (অতিরিক্ত সময়) |
| ১৯৮৬ | মেক্সিকো | পশ্চিম জার্মানি | ৩-২ |
| ২০২২ | কাতার | ফ্রান্স | ৩-৩ (টাই), পেনাল্টিতে ৪-২ |
আর্জেন্টিনা কতবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছে?
মোট ছয়বার ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪ এবং ২০২২ — এই ছয়বার। শুধু ব্রাজিল (৭ বার) আর জার্মানি (৮ বার) এগিয়ে।
তিনবার জিতলেও তিনবার হেরেছেও — ১৯৩০-এ উরুগুয়ে, ১৯৯০-এ পশ্চিম জার্মানি আর ২০১৪-তে জার্মানির কাছে। এই হারগুলোর বেদনাও আর্জেন্টাইন ইতিহাসের অংশ।
আর্জেন্টিনার মোট ট্রফির সংখ্যা কত?
শুধু বিশ্বকাপ নয়। আর্জেন্টিনার ট্রফি সংগ্রহ দেখলে যে কারও চোখ বড় হয়ে যাবে।
| টুর্নামেন্ট | শিরোপা |
|---|---|
| ফিফা বিশ্বকাপ | ৩ |
| কোপা আমেরিকা | ১৬ (বিশ্বরেকর্ড) |
| ফিনালিসিমা | ১ (২০২২) |
| ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ | ১ (১৯৯২) |
| অলিম্পিক গোল্ড | ২ (২০০৪, ২০০৮) |
২০২৫ সাল পর্যন্ত মোট অফিশিয়াল শিরোপা ২৩টি। কোপা আমেরিকায় ১৬টি শিরোপা — এটা এমন একটা রেকর্ড যা ভাঙা কার্যত অসম্ভব। আর্জেন্টিনা ছাড়া কোনো দেশ ১০-এর কোটা পেরোতেও পারেনি।
আর্জেন্টিনার সেরা জয় ও সবচেয়ে লজ্জার হার
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় জয় কোনটি?
এই রেকর্ডটা সত্যিকার অর্থেই অবিশ্বাস্য। ১৯৪২ সালের কোপা আমেরিকায় ইকুয়েডরকে ১২-০ গোলে হারিয়েছিল আর্জেন্টিনা। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে কোপা আমেরিকার সর্বোচ্চ জয়ের ব্যবধান হিসেবে এটি নথিভুক্ত। সেই ম্যাচে হোসে মানুয়েল মোরেনো একাই চারটি গোল করেছিলেন।
আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার কত?
আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সর্বোচ্চ হার ৬-১। তিনটি আলাদা ম্যাচে এই লজ্জা এসেছে:
১৯৫৮ বিশ্বকাপ, সুইডেন — চেকোস্লোভাকিয়ার বিপক্ষে ৬-১ হার। এতটাই খারাপ ছিল সেই পরাজয় যে দলটি দেশে ফিরতেই পারেনি সরাসরি — বিমানবন্দরে রাগী জনতার হাত থেকে বাঁচতে অন্য পথে নামতে হয়েছিল।
২০০৯ বিশ্বকাপ বাছাই — বলিভিয়ার মাঠে ৬-১ হার। তখন কোচ ছিলেন ডিয়েগো মারাদোনা নিজেই।
২০১৮ প্রীতি ম্যাচ — স্পেনের বিপক্ষে ৬-১ হার।
আর্জেন্টিনা কোন কোন সালে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়েছে বা খেলতে পারেনি?
অনেকে জানেন না — আর্জেন্টিনা সবসময় বিশ্বকাপে ছিল না।
- ১৯৩৮ ও ১৯৫০: রাজনৈতিক কারণে বয়কট করেছিল
- ১৯৫৪: বাছাইপর্বে উরুগুয়ের পেছনে পড়ে যোগ্যতা হারায়
- ১৯৭০: মেক্সিকো বিশ্বকাপেও বাছাইপর্বে ব্যর্থ
১৯৭০-এর পর থেকে আর কখনো বিশ্বকাপ মিস করেনি আলবিসেলেস্তেরা। এখন পর্যন্ত টানা চৌদ্দটি বিশ্বকাপে খেলেছে তারা।
আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল — চিরশত্রুর মহারণ
আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল খেলা কবে হবে ২০২৬ বিশ্বকাপে?
সরাসরি উত্তর দেওয়া দরকার — গ্রুপ পর্বে দুটি দল আলাদা গ্রুপে থাকায় সরাসরি দেখা নেই। তবে উভয়ে নকআউটে উঠলে কোয়ার্টার বা সেমিফাইনালে দেখা হতে পারে।
সেই ম্যাচ হলে কী হবে, সেটা ভাবতেই রোমাঞ্চ জাগে।
ইতোমধ্যে সর্বশেষ বড় ম্যাচে কিন্তু ব্রাজিলকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল আর্জেন্টিনা। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে বুয়েনোস আইরেসে সেই সুপার ক্লাসিকোতে আলবিসেলেস্তেরা কার্যত ব্রাজিলকে মাঠে শুইয়ে দেয়।
ব্রাজিল এবার মাঠে নামছে কার্লো আনচেলত্তির নেতৃত্বে। আর্জেন্টিনা বনাম ব্রাজিল আজকের খেলা Live দেখতে চাইলে Jeta33-এই খোঁজ রাখুন — এই মঞ্চে সব বড় ম্যাচের লাইভ অড্স পাওয়া যায়।
মেসি কি আসলেই ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলবেন?
এই প্রশ্নটা এখন গোটা ফুটবল দুনিয়াকে অস্থির করে রেখেছে। মেসির বয়স ৩৮। বিশ্বকাপ চলাকালে তিনি ৩৯-এ পা দেবেন।
কোচ স্কালোনি বলেছেন — “আমি চাই সে থাকুক। তবে সিদ্ধান্ত তার নিজের। সে সেই অধিকার অর্জন করেছে।”
মেসি নিজে এখন পর্যন্ত কোনো পাকা কথা দেননি। তবে ইন্টার মায়ামিতে এই মৌসুমে তার ফর্ম দেখলে মনে হয় — মেসি যেতে পারেন। ২২ মার্চ নিউ ইয়র্ক সিটির বিপক্ষে ৯০ মিনিট খেলে গোল করেছেন। ২৭ মার্চ মৌরিতানিয়ার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমেছেন। শরীর বলছে হ্যাঁ। মন? সেটা একমাত্র মেসিই জানেন।
এটা তার শেষ বিশ্বকাপ হতে পারে — এই কারণেই বাংলাদেশের লক্ষ কোটি সমর্থক ১৬ জুনের ম্যাচটার জন্য এতটা অধীর অপেক্ষায়।
মেসিকে ঘিরে আরেকটি বড় খবর
মার্চ ২০২৬-এ ইন্টার মায়ামি ঘোষণা দিল — তাদের নতুন ২৬,৭০০ আসনের স্টেডিয়ামে (নু স্টেডিয়াম) একটি স্ট্যান্ডের নাম হবে “লিও মেসি স্ট্যান্ড”। কোনো সক্রিয় খেলোয়াড়ের নামে স্টেডিয়ামের অংশ রাখা বিশ্বে বিরল। ক্লাব নিজেই স্বীকার করেছে — “এটা বিশ্বক্রীড়ায় একটি বিরল ঘটনা।”
আর্জেন্টিনার দলের নাম কি এবং পরিচয়
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দল সারা বিশ্বে পরিচিত বেশ কয়েকটি নামে।
সবচেয়ে পরিচিত ডাকনাম “লা আলবিসেলেস্তে” — স্পানীয় ভাষায় যার অর্থ সাদা ও আকাশি রঙের দল। তাদের সেই ডোরাকাটা সাদা-আকাশি জার্সিই এই নামের উৎস। এছাড়া স্কালোনির অধীনে এখন ডাকা হয় “স্কালোনেটা” নামেও।
আর্জেন্টিনা কত নাম্বারে ফিফা র্যাংকিংয়ে — এই প্রশ্নের উত্তর হলো, সাধারণত তারা ১ বা ২ নম্বরে থাকে। ২০২৬ সালের শুরুতে ফ্রান্স সামান্য এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনা সেরা তিনেই আছে।
আর্জেন্টিনা বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ফলাফল কী ছিল?
২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেদিন যা হয়েছিল, সেটা বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে অবিস্মরণীয়।
প্রথমবারের মতো মেসি এসেছিলেন বাংলাদেশের মাটিতে। লাখো মানুষ রাস্তায় দাঁড়িয়েছিল শুধু দলটির বাস দেখতে। সেই প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে বাংলাদেশকে হারায়। হেরেছিল ঠিকই, কিন্তু ওই দিন বাংলাদেশ যেন বিশ্বফুটবলের কেন্দ্রে ছিল কিছুক্ষণের জন্য।
আর্জেন্টিনার খেলা উপভোগের সেরা জায়গা — Jeta33
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ খেলাগুলো যতটা আনন্দের, তার সাথে বাজি ধরার সুযোগ থাকলে সেই আনন্দ আলাদা মাত্রায় পৌঁছায়।
Jeta33-এ পাবেন আর্জেন্টিনার প্রতিটি বিশ্বকাপ ম্যাচের লাইভ বেটিং। গোলস্কোরার, ম্যাচ উইনার, হাফটাইম স্কোর — শতাধিক মার্কেটে বাজি ধরার সুযোগ। এখানে নতুন ব্যবহারকারীরা পাবেন বিশেষ ওয়েলকাম বোনাস। আর ক্যাশব্যাক সুবিধাও রয়েছে, তাই হার গেলেও একটা নিরাপত্তা থাকছে।
আজই Jeta33-এ রেজিস্ট্রেশন করুন এবং ১৬ জুনের আগেই প্রস্তুত থাকুন।
আর্জেন্টিনার খেলা নিয়ে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
আজকে কি আর্জেন্টিনার খেলা আছে? ২৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত, পরবর্তী আর্জেন্টিনার ম্যাচ ৩১ মার্চ জাম্বিয়ার বিপক্ষে লা বোম্বোনেরায়। এরপর জুনে বিশ্বকাপ পর্যন্ত আর কোনো নিশ্চিত ম্যাচ নেই।
আর্জেন্টিনার খেলা কত তারিখে বিশ্বকাপে? ১৬ জুন (আলজেরিয়া), ২২ জুন (অস্ট্রিয়া) এবং ২৭ জুন (জর্ডান) — এই তিনটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ।
আর্জেন্টিনা কত সালে বিশ্বকাপ জিতেছে? ১৯৭৮, ১৯৮৬ এবং ২০২২ — মোট তিনবার।
আর্জেন্টিনা কতবার বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছে? ছয়বার — ১৯৩০, ১৯৭৮, ১৯৮৬, ১৯৯০, ২০১৪ এবং ২০২২।
আর্জেন্টিনার মোট ট্রফির সংখ্যা কত? ২৩টি অফিশিয়াল শিরোপা — বিশ্বকাপ ৩টি, কোপা আমেরিকা ১৬টি, অলিম্পিক গোল্ড ২টি সহ।
আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় জয় কোনটি? ১৯৪২ কোপা আমেরিকায় ইকুয়েডরের বিপক্ষে ১২-০ — গিনেস রেকর্ড।
আর্জেন্টিনার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হার কত? ৬-১ গোলে হার — তিনটি ভিন্ন ম্যাচে (১৯৫৮, ২০০৯, ২০১৮)।
আর্জেন্টিনা কোন কোন সালে বিশ্বকাপ খেলতে পারেনি? ১৯৩৮, ১৯৫০ (বয়কট) এবং ১৯৫৪, ১৯৭০ (বাছাইপর্বে ব্যর্থ)।
আর্জেন্টিনার দলের নাম কি? “লা আলবিসেলেস্তে” — সাদা ও আকাশি রঙের দল।
আর্জেন্টিনার বর্তমান কোচ কে? লিওনেল স্কালোনি — যার হাতে পরপর চারটি বড় শিরোপা জিতেছে আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনার গোলকিপারের নাম কী? এমিলিয়ানো “দিবু” মার্টিনেজ (অ্যাস্টন ভিলা)।
আর্জেন্টিনা বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের ফলাফল কী ছিল? ২০১১ সালের প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে জিতেছিল।
আর্জেন্টিনা কত নাম্বারে ফিফা র্যাংকিংয়ে? সাধারণত ১ বা ২ নম্বরে। ২০২৬ সালের শুরুতে শীর্ষ তিনে।
শেষ কথা — এটা কি মেসির শেষ বিশ্বকাপ?
আর্জেন্টিনার খেলা মানে শুধু ফলাফল নয়। এটা আবেগ। এটা ভোররাতে উঠে চা বানিয়ে টিভির সামনে বসা। এটা হারলে মন খারাপ, জিতলে পাড়ায় মিছিল।
আর সেই আবেগ এবার অন্যরকম হবে। কারণ মেসির বয়স ৩৮। ১৬ জুনের সেই আলজেরিয়া ম্যাচ যদি তার শেষ বিশ্বকাপের সূচনা হয় — তাহলে এটা শুধু একটা গ্রুপ পর্বের ম্যাচ নয়, এটা ইতিহাস।
বিশ্বকাপের প্রতিটি মুহূর্ত ধরে রাখুন আর রোমাঞ্চ বাড়িয়ে নিন Jeta33-এর সাথে। প্রমোশন পেজ থেকে বিশ্বকাপের বিশেষ অফার দেখুন এবং এখনই রেজিস্ট্রেশন করুন।
দায়িত্বশীলভাবে বাজি ধরুন। বেটিং শুধু বিনোদনের জন্য। সমস্যা হলে পেশাদার সহায়তা নিন।