শন টেইট বিসিবির পেস বোলিং কোচ পদ ছাড়লেন কেন?

শন টেইট at jeta33
শন টেইট at jeta33

শন টেইট বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পেস বোলিং কোচের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২০২৫ সালের মে মাসে দায়িত্ব নিয়ে মাত্র এক বছরের মাথায় বিদায় নিয়েছেন এই অস্ট্রেলিয়ান কোচ। আনুষ্ঠানিকভাবে পারিবারিক কারণ উল্লেখ করলেও পদত্যাগের পেছনে রয়েছে আরো কিছু গল্প, যা এই লেখায় বিস্তারিত জানতে পারবেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট ও স্পোর্টস সংক্রান্ত সর্বশেষ আপডেটের জন্য Jeta33-এর ব্লগ নিয়মিত পড়ুন।

শন টেইট কে? খেলোয়াড়ি জীবন থেকে কোচিং ক্যারিয়ার

শন টেইট অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম দ্রুতগতির বোলার হিসেবে পরিচিত। ঘণ্টায় ১৬১ কিলোমিটারের বেশি গতিতে বল করার ক্ষমতা তাকে বিশ্ব ক্রিকেটে আলাদা পরিচয় দিয়েছিল।

২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন তিনি। তিন ফরম্যাট মিলিয়ে মোট ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে মাঠে নেমেছেন, উইকেট নিয়েছেন ৯৫টি। ২০০৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন তিনি।

খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ে যোগ দেন টেইট। পাকিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ (টেস্ট দল) ও আফগানিস্তানের জাতীয় দলের বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিপিএল, বিগ ব্যাশ লিগ, পাকিস্তান সুপার লিগ, লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ ও ইংলিশ কাউন্টিতেও বিভিন্ন দলের কোচিং স্টাফে কাজ করেছেন।

বাংলাদেশে শন টেইটের আগমন: কীভাবে এলেন?

২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) শন টেইটকে জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয়। এর আগে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অলরাউন্ডার আন্দ্রে অ্যাডামস এই পদে ছিলেন। কিন্তু দেড় বছরে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে তার চুক্তি শেষ হওয়ার আগেই বিসিবি সিদ্ধান্ত নেয়।

নতুন কোচ খোঁজার সময় পাকিস্তানের উমর গুল ও অস্ট্রেলিয়ার শন টেইটের নাম আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত টেইটকেই বেছে নেয় বিসিবি। মূলত হেড কোচ ফিল সিমন্সের মতামত এই সিদ্ধান্তে বড় ভূমিকা রেখেছিল।

টেইটের সাথে বিসিবির চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের নভেম্বর পর্যন্ত, অর্থাৎ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। তার আগেই বাংলাদেশ ছেড়েছেন তিনি।

দায়িত্ব নেওয়ার সময় টেইট বলেছিলেন, “এটা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার দারুণ একটা সময়। বলা হচ্ছে, এটি এক নতুন যুগের সূচনা, বিশেষ করে তরুণ পেসারদের ঘিরে যেভাবে আলোচনা হচ্ছে, সেটা অসাধারণ।”

শন টেইট বাংলাদেশে কী করেছিলেন?

টেইটের এক বছরের কার্যকালে বাংলাদেশের পেস বোলিং ইউনিটে বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখা গেছে।

নাহিদ রানার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

নাহিদ রানাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি যত্নশীল ছিলেন টেইট। এই তরুণ পেসারের প্রতিভা তাকে মুগ্ধ করেছিল। একবার সংবাদ সম্মেলনে টেইট বলেছিলেন, “শুধু বল করাই নয়, একজন তরুণ তারকা হিসেবে বাড়তি চাপ সামলানোও শিখতে হয়।”

নাহিদ রানার পেস ও ধারাবাহিকতায় উন্নতি টেইটের কোচিংয়ের সরাসরি ফল। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের বেশি গতিতে একটানা বোলিং করে পাঁচ উইকেট নেওয়া নাহিদকে টেইটই তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের ক্রিকেটের প্রতিটি রোমাঞ্চকর মুহূর্তে সাথে থাকতে Jeta33-এর প্রমোশন পেজ দেখুন।

তাসকিন-হাসানের ধারাবাহিকতায় উন্নতি

তাসকিন আহমেদ ও হাসান মাহমুদের পারফরম্যান্সও টেইটের কোচিং পিরিয়ডে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। বিভিন্ন ফরম্যাটে এই পেসাররা আগের চেয়ে বেশি কার্যকর ছিলেন।

বিসিবি তাদের বিবৃতিতে স্বীকার করেছে, টেইটের অধীনে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ আরও ধারালো হয়েছে এবং বিভিন্ন ফরম্যাটে পেসারদের দক্ষতা, ধারাবাহিকতা ও কার্যকারিতা বেড়েছে।

স্থানীয় কোচদের প্রশংসা

শুধু আন্তর্জাতিক পেসার নয়, বাংলাদেশের স্থানীয় কোচদের সাথেও ভালো সম্পর্ক ছিল টেইটের। স্থানীয় কোচিং স্টাফের ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন তিনি।

শন টেইট কেন পদত্যাগ করলেন? আসল কারণ কী?

আনুষ্ঠানিক কারণ: পরিবার

বিসিবি জুন ২০২৬-এ একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, পারিবারিক কারণে শন টেইট পদত্যাগ করেছেন।

পাকপ্যাশন ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে টেইট নিজেও স্পষ্ট করেন, এই সিদ্ধান্ত হঠাৎ করে নেওয়া হয়নি। বহু দিন ধরেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচির কারণে বছরের প্রায় ১০ মাসই তাকে দেশের বাইরে কাটাতে হতো। সন্তান ও পরিবারকে সেই সময় দিতে পারছিলেন না।

বিদায়ের সময় টেইট বলেছেন, “বাংলাদেশ জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করা এবং প্রতিভাবান ও নিবেদিতপ্রাণ খেলোয়াড় ও সাপোর্ট স্টাফদের একটি দলের অংশ হতে পারা আমার জন্য বিশেষ সম্মানের বিষয় ছিল। এটি সহজ কোনো সিদ্ধান্ত ছিল না। আলোচনার পুরো সময়জুড়ে বিসিবি যে সমর্থন ও বোঝাপড়ার পরিচয় দিয়েছে, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।”

পর্দার আড়ালের কারণ: বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন

পারিবারিক কারণের পাশাপাশি ক্রিকেট মহলে আরেকটি গুঞ্জন চাওর হয়েছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) পেস বোলিং কোচ হওয়ার আগ্রহ থেকেই মূলত এই সিদ্ধান্ত নেন টেইট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, টেইট সিএবি-র তিন সদস্যের কমিটির কাছে ইন্টারভিউও দিয়েছেন। সেখানে সিনিয়র দলের পাশাপাশি বয়সভিত্তিক ও উঠতি পেসারদের দেখভালের দায়িত্ব পেতে পারেন তিনি।

টেইটের এই সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যক্তিগত একটি কারণও আছে। তার স্ত্রী ভারতীয়। বছরের একটি বড় অংশ তিনি ভারতেই কাটান। বেঙ্গল দলের হয়ে কাজ করলে পরিবারের কাছাকাছি থাকার সুযোগ পাবেন এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো সারাবছর ব্যস্ত থাকতে হবে না।

এছাড়া বেঙ্গলে কাজ করলে আইপিএলেও কোচিং সুযোগ খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পদত্যাগ কীভাবে হয়েছিল?

পদত্যাগের বিষয়টি হঠাৎ করে আসেনি। কয়েক মাস ধরেই ক্রিকেটপাড়ায় গুঞ্জন ছিল টেইট চলে যেতে পারেন। তিনি নিজেই ক্রিকবাজ ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রথমে পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পদত্যাগের ইচ্ছা জানানোর পরেও কিছুদিন দায়িত্ব চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন টেইট। বিসিবিও তার এই ইচ্ছাকে সম্মান দিয়েছিল। তবে দুই পক্ষের আলোচনার পর জুনের শুরুতেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

৪ জুন ২০২৬ তারিখে বিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে টেইটের পদত্যাগ নিশ্চিত করে।

টেইটের কোচিং জীবনে বাংলাদেশ দলের শেষ অ্যাসাইনমেন্ট ছিল পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা সিরিজ।

বিসিবি এখন কী করছে?

টেইটের বিদায়ের পর বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং ইউনিটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে অন্তর্বর্তীকালীন পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক জাতীয় পেসার তালহা জুবায়ের। বর্তমানে বিসিবির হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটে কর্মরত তালহা জাতীয় দলের হয়ে ১৩টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।

নতুন বোলিং কোচ নিয়োগ না হলে জিম্বাবুয়ে সিরিজেও তালহাই দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

শন টেইটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

পূর্ণমেয়াদী আন্তর্জাতিক কোচিংয়ে আপাতত না ফিরলেও কোচিং থেকে পুরোপুরি সরে যাচ্ছেন না শন টেইট।

পাকপ্যাশনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সারা বছর ব্যস্ত থাকতে হয় এমন দায়িত্বের চেয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বা জাতীয় দলের কোনো নির্দিষ্ট সংস্করণ, যেমন টি-টোয়েন্টি বা ওয়ানডে, নিয়ে স্বল্পমেয়াদে কাজ করতেই তিনি এখন বেশি আগ্রহী। ক্রিকেটের পাশাপাশি বিনোদন ও রোমাঞ্চের সন্ধানে থাকলে Jeta33-এর সাপ্তাহিক বেটিং চ্যালেঞ্জ একটি দারুণ বিকল্প।

বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দিলে সেই সুযোগটাই পাবেন তিনি। আন্তর্জাতিক সূচির মতো বছরজুড়ে ব্যস্ততা থাকবে না। পরিবারকে সময় দেওয়া সহজ হবে। আর আইপিএলের দরজাও খুলে যেতে পারে।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য টেইটের পদত্যাগ কতটা ক্ষতিকর?

এই প্রশ্নটা বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের মাথায় ঘুরছে।

সৎ উত্তর হলো, ক্ষতিটা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের মাত্র এক বছর আগে নতুন কোচ খুঁজতে হচ্ছে বিসিবিকে। টেইটের তৈরি পেসাররা, বিশেষত নাহিদ রানা, যে গতিতে উন্নতি করছিলেন, নতুন কোচের সাথে মানিয়ে নিতে সময় লাগবে।

তবে আশার বিষয় হলো, টেইট পেস ইউনিটের একটা শক্ত ভিত্তি তৈরি করে গেছেন। তাসকিন, নাহিদ, হাসান মাহমুদ, শরিফুলরা নিজেদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা তৈরি করেছেন একাদশে জায়গা পাওয়া নিয়ে। এটা বাংলাদেশের পেস বোলিংয়ে আগে কখনো ছিল না। বাংলাদেশের ক্রিকেট ম্যাচ উপভোগের সাথে বাড়তি রোমাঞ্চ যোগ করতে Jeta33-এর ভিআইপি রিওয়ার্ড প্রোগ্রামে যোগ দিন।

বিসিবির সাথে তার কোনো বিরোধ নেই। টেইট স্পষ্টভাবে বলেছেন, “বিসিবির সাথে আমার দারুণ সময় কেটেছে। বোর্ডের প্রতি আমার কোনো অভিযোগ নেই। তারা আমার প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ছিল।”

পেসারদের কথায় টেইট

টেইটের বিদায়ে বাংলাদেশের পেসাররা কী বলছেন?

তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানা উভয়েই টেইটের কোচিং পদ্ধতির প্রশংসা করেছেন। তাদের কথায় উঠে এসেছে টেইটের একটা বিশেষ গুণের কথা। শুধু টেকনিক্যাল দিকটাই নয়, মানসিকতার দিক থেকেও প্রতিটি পেসারকে আলাদা করে দেখতেন তিনি।

নাহিদ রানা একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, টেইটের কাছে থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো গতি ধরে রেখে নিয়ন্ত্রণ আনা। সেটা আগে তার পক্ষে কঠিন ছিল।

শন টেইট ও বাংলাদেশ: একটা ছোট কিন্তু অর্থবহ অধ্যায়

এক বছরের কিছু বেশি সময়ে শন টেইট বাংলাদেশ ক্রিকেটে যা রেখে গেছেন, তা সংখ্যায় মাপা কঠিন।

২০২৫ সালের মে মাসে এসেছিলেন “নতুন যুগের সূচনা” নিয়ে কথা বলতে। চলে গেছেন ২০২৬ সালের জুনে, পেসারদের মনে একটা বিশ্বাস রেখে গেছেন। যে বিশ্বাসটা হলো, তারা পারবেন।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ সময়ে এসেছিলেন তিনি। নাহিদ রানার মতো একজন তরুণ তারকার ঊর্ধ্বগতি তার হাতেই সূচিত হয়েছে। তাসকিনরা পরিণত হয়েছেন।

টেইট নিজেই বলেছেন, “পেস বোলাররা যা অর্জন করেছে, তা নিয়ে আমি গর্বিত। তাদের সামনে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে।”

সচরাচর জিজ্ঞাসা (FAQ)

শন টেইট কেন বাংলাদেশের কোচের পদ ছেড়ে দিলেন?

শন টেইট পারিবারিক কারণে বাংলাদেশ দলের পেস বোলিং কোচের পদ ছেড়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিতে বছরের ১০ মাসই বাইরে থাকতে হতো। সন্তান ও পরিবারকে বেশি সময় দিতেই এই সিদ্ধান্ত। এছাড়া ভারতের বেঙ্গল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনাও এই সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছে বলে ক্রিকেটমহলে গুঞ্জন রয়েছে।

শন টেইট কখন বাংলাদেশ দলের কোচ হয়েছিলেন?

শন টেইট ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেস বোলিং কোচ হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন। নিউজিল্যান্ডের আন্দ্রে অ্যাডামসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলেন তিনি। বিসিবির সাথে চুক্তি ছিল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত।

শন টেইটের পরিবর্তে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন?

টেইটের পদত্যাগের পর সাবেক জাতীয় পেসার তালহা জুবায়েরকে অন্তর্বর্তীকালীন পেস বোলিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বিসিবির হাই পারফরম্যান্স ইউনিটে কর্মরত ছিলেন এবং আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজে এই দায়িত্ব পালন করবেন।

বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ ছাড়ার পর শন টেইট কী করবেন?

শন টেইট জানিয়েছেন, তিনি কোচিং থেকে পুরোপুরি সরছেন না। তবে সারা বছর ব্যস্ত থাকে এমন দায়িত্বের বদলে ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বা স্বল্পমেয়াদী কাজে যুক্ত হতে চান। ভারতের বেঙ্গল দলের পেস বোলিং কোচ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

শন টেইট কি আবার বাংলাদেশে ফিরতে পারেন?

টেইট বিসিবির সাথে কোনো বিরোধ ছাড়াই বিদায় নিয়েছেন। উভয় পক্ষই সম্পর্ক ভালো রেখেছে। তাই ভবিষ্যতে কোনো নির্দিষ্ট সিরিজ বা টুর্নামেন্টের জন্য তার ফেরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

বাংলাদেশে থাকার সময় শন টেইটের সেরা কাজ কী ছিল?

টেইটের সেরা কাজ ছিল নাহিদ রানাকে তৈরি করা। এই তরুণ পেসারকে শুধু টেকনিক্যালি নয়, মানসিকভাবেও প্রস্তুত করেছিলেন তিনি। তাসকিন, হাসান মাহমুদ ও শরিফুলরাও টেইটের অধীনে আরো পরিণত হয়েছেন। বিসিবির মতে, তার আমলেই বাংলাদেশের পেস আক্রমণ সবচেয়ে শক্তিশালী রূপ নিয়েছে।

শন টেইটের খেলোয়াড়ি ক্যারিয়ার কেমন ছিল?

শন টেইট ২০০৪ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন এবং ৯৫টি উইকেট নিয়েছেন। ঘণ্টায় ১৬১ কিলোমিটারেরও বেশি গতিতে বল করতে পারতেন। ২০০৭ বিশ্বকাপজয়ী অস্ট্রেলিয়া দলের সদস্য ছিলেন।

উপসংহার: শন টেইটের বিদায় এবং বাংলাদেশের পরবর্তী পথ

শন টেইটের বিদায় বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য একটা ছোট ধাক্কা। কিন্তু একটাই সান্ত্বনা, এই ধাক্কাটা তিনি রেখে গেছেন একটা শক্তিশালী পেস ইউনিট তৈরি করার পর।

নাহিদ রানা, তাসকিন, হাসান মাহমুদ, শরিফুল, এরা এখন নিজেদের জায়গায় অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী। টেইটের এক বছরের কোচিং তাদের সেই আত্মবিশ্বাস দিয়ে গেছে।

বিসিবির কাজ এখন দ্রুত একজন নতুন ও অভিজ্ঞ বোলিং কোচ খুঁজে বের করা। ২০২৭ বিশ্বকাপ লক্ষ্যমাত্রা ঠিক রাখতে হলে এই শূন্যস্থান দ্রুত পূরণ করতে হবে।

শন টেইটকে বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে মনে রাখা হবে এমন একজন কোচ হিসেবে, যিনি কম সময়ে বেশি কাজ করে গেছেন। যার হাতে তৈরি পেসাররা আগামীতে দেশের হয়ে বড় পারফরম্যান্স দেবেন। ক্রিকেট উপভোগের এই উত্তেজনাকে দ্বিগুণ করতে Jeta33-এ যোগ দিন এবং ওয়েলকাম বোনাস নিয়ে আজই শুরু করুন।

Author: Mohan Khan (Kaiser)

Mohan Khan

Sports SEO Expert & Sports Content Specialist

3+ Years of Experience in SEO & Digital Marketing

Mohan Khan is a sports SEO expert with over three years of experience in the digital marketing industry, specializing in SEO and sports content. After graduating from the University of Barishal with a BSc in Computer Science and Engineering (CSE), Mohan turned his lifelong passion for sports into a career in search engine optimization. He has developed hands-on expertise in keyword research, on-page SEO, content strategy, and search optimization for both Google and modern AI search engines. He primarily covers major cricket and football stories, including Bangladesh's international fixtures, the Champions League, the Asia Cup, and major World Cup events. He also covers other sports, including tennis and Formula 1. Every piece he publishes is researched using primary sources and fact-checked before publication, reflecting his commitment to accurate, trustworthy, and reader-first sports coverage.
Expertise SEO, AEO, GEO, AIO, EEAT-friendly Content, Games & Sports
Qualification BSc in Computer Science & Engineering (CSE)
University University of Barishal
Experience 3+ Years in SEO & Digital Marketing
Favorite Sports Teams Bangladesh Cricket Team & Argentina Football Team
Favorite Player Lionel Messi
Favorite Sports Moment Argentina lifting the 2022 FIFA World Cup. That unforgettable final had everything, and watching Lionel Messi finally lift the World Cup was a truly special sports moment.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *